টাইমপাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
টাইমপাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০১৫

ভালবাঁশে ভালবাসা

কাঁচা হলে ফাঁটাফাঁটি,পাকা হলে হয় যুৎ,
শক্ত ও বাঁধনেতে, ভাল বাসা নাই খুঁত।

ভুল বুঝে যেও নাকো, ভালবাসা জারি থাক,
জেনে রেখো সখা ওগো, বাঁশ নিয়ে এ আলাপ।

জীবনের পদে পদে, বাঁশ নিয়ে করি বাস,
জানাবার আগ্রহে, আকুপাকু হাঁসফাঁস।

ঐ সেদিনের কাজলা দিদি, সঙ্গে ছিল বাঁশবাগান,
ইদানিং ঐ কেল্লাবাঁশের, ছাগের লাদি খুব বিলান।

লেখাপড়ার শক্ত বাঁশে, জীবন যাপন হয় তিতা,
সফলতায় বাঁশ হজমে, মিষ্টি খাওয়ায় কার পিতা।

কাঁচা বাঁশে প্রেমের ঘুণে, ফিউচার হয় ফকফকা,
পাঁকা বাঁশের ইটিশ পিটিশ, পরকীয়ায় সব ধোকা!

বাঁশের চাটাই, বাঁশ খাটিয়া, রওনা হলেন কোনখানে,
জীবন শেষেও সব বাঁশময়, বাঁশ হৃদয়ে প্রেম আনে।

রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

লাইনে আনুন

আ্যাই গলু সল না, ঐদিকে চল না,
শিং দিয়ে ঢুশ-টুশ, মারিসনা ভাই;
যেন খুব শরমে, গলা স্বর নরমে,
গরুগুলো বেয়াড়া, শোনেনা ত‌ো ছাই!

সপাসপ বেত হাতে, এই নিয়ে চল সাথে,
মহিষ বা গাধা-গরু, লাইনেতে থাকে ...
দুনিয়ার ধারা এটা, শক্ততে সোজা হাঁটা,
নরমের জম সবি -- যেন মনে থাকে!

দে না বাঁশ ধরে ধরে, রিকুয়েস্ট খ্যাতা পুড়ে,
গদাম দে পশ্চাতে, প্যাঁচায় যে ত্যানা ...
বিচারটা ন্যায় হলে, চারিদিকে সোনা ফলে,
আর নয় ভদ্রতা, নয় আলোচনা!

বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০১৫

হিজিবিজি হাম্বাজীবি

ফাঁকা মাঠে ছাড়া ইচ্ছামত,
ছক্কা পাঞ্জা মেরে,
সেদিনের সেই নেংটিগুলো,
উঠেছেন বেড়ে ধেড়ে!

পকেট ভরা নেংটি নিয়ে,
ঘুরলাম কতকাল,
কোনোদিন কোনো ক্যাচালে যাইনি,
মারিনিকো কোনো ফাল;

তবুও যদি কুটুস করে,
কখনো কামড়ে দেই,
রাজা-উজিরেও উল্টাবে তবে,
হারিয়ে চাপার খেই।

চুপচাপ দেখি বসিয়া আড়ালে,
বোম-ভোলানাথ হয়ে,
মাত্রা ছাড়ালে ভেবোনাকো চাঁদু,
চিরকাল যাব সয়ে।

সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৫

প্রবাদ ভুল হলে

কুতকুতে কয়লায়, ধুয়ে সব ময়লায়,
আজ আহা ফটফটে, ফিট-ফাট বাবু ...
ঝকমকে স্মার্ট গাই, স্যূট-বুট সাদা টাই,
কয়লাকে আজ দেখে, প্রবাদটা কাবু!

পুরাতন দুরে যাক, একালের ওস্তাদ,
ধবধবে ক্লিন দেখে, উছলায় সুখে ...
কয়লার সাথে মিশে, যন্ত্রনা নয় বিষে,
রাজি নয় সন্দেহে, খৈ ফোটা মুখে।

প্রবাদটা হলে ভুল, কিছু নয় ভণ্ডুল,
তানাহলে দেখা ফের, ধরা খাওয়া দল,
বার বার ঠেকে শেখা, বোকা সাজা তাই সখা,
সিঁদুরে ও মেঘ দেখে, কী যে করি বল?

শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৫

নয়া বছর স্বাগতম

নতুন বছর পাগলা ঘোড়া,
বাড়বে সকল দাম,
পিষ্ট আবার আম জনতা,
গরীব হওয়া কাম।

উঠবে বেড়ে চামচা নেতা,
আর ঠগীদের দল,
সব হারাবে বেকুব বোকা, 
লোভ করারই ফল।

বাঁধবে আশায় বুক সকলে,
সুদিন বুঝি হবে,
কাজ না করে খুব কামানো?!
খুলবে এ চোখ কবে?

মরবে কলু, মরবে বলদ,
রক্তচোষা মশা,
শূণ্য মেধায়, ফলতো ভাল,
বুদ্ধি হিসাব কষা।

সব রাবিশে ভর্তি মালে,
কিছুই বোঝেন নারে,
হাজার কোটি লৈয়া হাপিস,
আবার হতেও পারে।

এই বছরে লক্ষ্য যে ঠিক,
গড়বো ঠগের দল,
একসাথেতে লুটবো হেসে,
খুঁজবো মামা চল।

==
ফুটনোট:
১। নতুন পে-স্কেলে যথারীতি মূদ্রাস্ফীতি ঘটাবে। কিন্তু আমার বেতন তো আর সেই হিসেবে বাড়বে না ... সুতরাং ... ... কোড রেড, মে-ডে মে-ডে
২। কাম-কাজ ছাড়াই টাকা কামানো যায় -- জ্বী, আমাগো বেশিরভাগ শেয়ার বেবসায়ী এই ধরণের মানসিকতার বেকুব (সরি ফর দা হার্ড ওয়র্ড); আবার তাঁদের ধরা খাওনের টাইম আসন্ন
২-১। যথারীতি আমাদের অর্থের মাথা এইসব কিচ্ছু বুঝবেন না; বেকুবরা ধরা খাবে, আর তার দায় তিনি নিবেনই বা কেন!
৩। গেল বছর বেশ ভাল রকম ব্যাংক-লুট, পুকুর-চুরি ঘটেছে। এবছর নিশ্চয়ই লুট করার আরো উন্নততর ভার্সন পাবো।
৪। মেধার বন্যায় ভেসে যাচ্ছে দেশ; খরার মত বন্যাও খ্রাপ জিনিষ।
৫। মূদ্রাস্ফীতির বাজারে চুরি ডাকাতি করা ছাড়া টিকে থাকা যাবে কি না এই চিন্তায় অস্থির ... ...
৬। সবাইকে নয়া বছরের চিন্তায় অস্থির শুভেচ্ছা ... ...

মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৪

ছাগ চিকিৎসা

ছাগ প্যাঁদানোর কায়দাটা কি,
ধরেই দিবো ফাঁসি?
হতেও পারে এর চে ভালো,
গা জ্বালানো হাসি wink

কাঁঠাল পাতা লুকিয়ে রেখে,
হয় না কোনো লাভ,
পাঠায় কি না খায় জানো কি,
সব খাওয়া স্বভাব।

নাপাক দেশের সব খবরেই,
ছোটায় ল্যাদার বান,
মারলো শিশু, দানব পশু,
মোসাদ নিলো কান।

দেখলে নারী দাঁড়ায় সটান,
তলপেটে সুড়সুড়ি,
মা-বোনকে ভুলছে তখন,
কল্পনা হুরপরী!

তিনঠ্যাঙাটার স্বভাব পেলে,
ভন্ড ছদ্মবেশী,
তালগাছটার দখল নিতে,
বুঝেন সবার বেশি।

বিনোদনের ছাগশিশুদের,
হয় না দেখে রাগ,
বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যেন,
গদাম নিয়ে ভাগ।

====
https://scontent-a-sin.xx.fbcdn.net/hphotos-xaf1/v/t1.0-9/10407722_1523497197936242_5530807826914333307_n.jpg?oh=82df7e80f8234e4e0f79ded4e6aabb2b&oe=5545A49C
ছবিটা কি লাগছে চাঁদু,
ভীষন বিভৎস,
কাইট্যা দিলে হামলে পড়ে,
খাইবা না বৎস?

শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৪

ফোরামটা ইদানিং ... ... ডিসেম্বর ২০১৪

বংগদেশের ছাগল নাকি বিশ্বে সেরা বেশ,
এই ফোরামে তাই বুঝি পাই, ব্যা-ব্যা লাদির রেশ ... ...
ভন্ডামীর ঐ আইনি ধারা, জামায় লাগায় নাম,
বোটকা লাদি গন্ধে ফোরাম, যায় বুঝি মোর প্রাণ।  hairpull

নাকটা চেপে ভাগলো সবে, সর্দি রোগী ভাবে,
হৈলো কিতা এই ফোরামে, কোথায় গ্যালো সবে?!
ও মডুগো, ও ভাইজান, খাইলো ছাগে ফুল,
খুটায় দড়ি না ধরালে, ফোরামটা ভন্ডুল।  isee

====
প্রাসঙ্গিক খবর: ব্ল্যাক বেঙ্গল বিশ্বের সেরা - প্রথমালু
https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjvi42z77NDfbxj5zX9CRZcqU7-u9iADcayB5YesluBCbzB8brW_xVdM0ff3l6I-OVNtb87v-YQsyrKMYMmZYo6UBc3Hyr3kU4Bvfkyr8EnjpdicDwLB__2XRQX2XMisHJN_EM1S4JJAyQ/s1600/bengali+funny+photos++(25).jpg
http://www.cityfarmer.info/wp-content/uploads/2013/10/Dak4.jpg
https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEh-LnfgX8OjPczA5BanRyb_rlZSx5lvNga-skfJ_zO_-To8tSfbCLsC4LKeyIR5T1OTPqWOIbbKNiT2RVVr7hQ9wjZeU9n4TejjPn-Wv_W5sc3KvEaoWGUpcP2xLmmhjdxyURXTFpgwF8xi/s1600/PICT3672.JPG

বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৪

অরুণ অবসানে জোৎস্না

বধু বসে লাজে রাঙা, মুখে ঢাকা ঘোমটা,
এল বুঝি মধুক্ষণ, কাঁপে দুরু মনটা।
অবশেষে হল শেষ, ঠোঁটে হাসি মনে খই,
আয় কাছে মন খুলে, দুইখানা কথা কই।

যত খুশি, বাহাদুরি, করে যাও কতকাল,
হলে কিছু পুরাতন, দেখে নিও কত ঝাল!
পেট-মন-চোখ সবি, জ্বলে যাবে অনলে,
চিন্তারা লাইনছাড়া, খুঁজে সুখ পটলে!

হতে পারে উল্টা ও, সুখ ভুড়ি মনে ওম,
প্রতিবেশী ঈর্ষায়, জ্বলে বুধ, রবি-সোম।
রাঙা ফের জগতটা, জোর ছোটা শিখরে,
এমনই হোক সখা, আলোময় ও ঘরে।।

===
-- উৎসর্গ প্রিয় অরুণ কে;
-- কিঞ্চিত ব্যাখ্যা:
জীবিত = অরুণ = সূর্য = জলন্ত, দূর্বিনীত
বিবাহিত = জোৎস্না = প্রতিফলিত আলোর মত স্নিগ্ধ
 

বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৪

বিদায়ের অভিমান

একদম যাচ্ছি যে চলে আজ বাড়ি,
সুযোগ আর পাবি নাকো দিতে কোনো ঝাড়ি।
ভালবাসা স্মৃতিগুলো যদি মনে পড়ে,
ভেসে যাবে কিছু পরে, আঘাতের ঝড়ে।

খুঁজে খুঁজে এর পরে যদি কিছু পাস,
বেঁধে রাখ বাহুডোরে দুরে রেখে বাঁশ।
হয়তোবা উঁকি দিয়ে মাঝে যাব দেখে,
লোক বদলের মাঝে যদি কিছু শেখে ...

কভু যদি ভুলে দিস মোর জুতা পায়,
বুঝবি কী যন্ত্রণা জমা আছে তায় ...
অবুঝের ত্যাড়া ঘাড়ে বুঝেছিলি যা,
দেখে নিস কত ব্যথা দিয়েছিলো তা।

শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৪

হাবিজাবি

কিডা কিডা কবে জানি কিতা কতা কৈছে,
ইংরাজি গালাগালি, ম্যালা ভাব লৈছে ...
একবার বাটে পাই, চামে যদি মহাজন,
এমুনই সাইজ দিমু, রবে মনে আজীবন।

ফুটফাট ইংরাজি ঝাড়ে যবে আক্কাস,
ইসমাট ভাবে নিজে, লাগে নাকি ঝাক্কাস ...
আঁধারেও সানগ্লাস চোখ থেকে নড়ে না,
গরমেও সুট-টাই, গাধা গাছে ধরে না!

আপঝাপ চাপা ঝেড়ে মাঝে সাঝে ধরা খায়,
প্যান্টের খোলা চেন, সবে দেখে হাসে তায়!
ঝোল-ডাল-ভাত খাবে চাইনিজ কাঠিতে,
ঝড়ো হাওয়া স্ট্যান্ড ফ্যানে পরচুলা মাটিতে!

বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৪

ব্রাঞ্চ বিলাস

সিরকা পেঁয়াজ শশা,
ফুড শপেতে বসা,
ফুস্-পানি না লাচ্ছি?
বোরহানী আর কাচ্চি!

ডিম সাথে হাফ-চিকেন,
সাফ্-সুতরা কিচেন,
ঝোলের মাঝে চুল,
মাফ করা যায় ভুল?!

ফল, ফালুদা, জুস,
বিড়ির ধোঁয়া ফুস,
লালচে পানের পিক,
জর্দা ঘিলুর কিক্।

সবার শেষে বিল,
বিরাট রকম ছিল্ !  hairpull
খসলো ট্যাকের স্বাস্থ্য,
টিপস দেয়াতে ব্যস্ত।

==
ব্রাঞ্চ = ব্রেকফাস্ট + লাঞ্চ (সকালে নাস্তা না খেয়ে একবারে দুপুরের খাবার খাওয়া)

সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৪

ছড়াকাঠিন্য

হারিয়ে গেছে ছড়া,
মাথায় ছন্দ খরা,
ক্লান্তি বিষাদ কড়া,
খাচ্ছে পাঠক ধরা।

মনটা বলে কাঁদি,
লিখতে ছড়া যদি,
ছড়ায় বর্জ্য লাদি,
হাসবে নাতি-দাদি।

কেমন করে মন,
ফুড়ুৎ উচাটন,
বলছি ডেকে শোন,
খুঁজছি চতূষ্কোন।

করছে না তো ক্লিক,
বিরক্তি ধিক্ ধিক্,
মাথায় ঘড়ির টিক,
আকাশটা ঝিকমিক।

জোরসে মারি ঠ্যালা,
আজকে সারাবেলা,
বিষম নিনাদ খেলা ...
দেখবো কে কার চ্যালা!

শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০১৪

বাড়াবাড়ি'র দূঃখ

সবে মিলে রে রে করে, বলছে যে কমাতে,
সুন্দর বেড়ে ওঠা, জোর করে দমাতে ... ...
আরে বাবা, বাড়ুক না; তোমাদের ক্ষতি কী?
দাবী-দাওয়া, হুমকীটা; দেবে নাকো যতি কি?

বেড়ে বেড়ে আকাশটা, ছুঁলে কী বা এসে যায়,
অসুবিধা নাই তব, নিশ্চয়ই দেবে সায়!
প্রতিদিন এক গান, রেকর্ডটা ভাঙ্গা এক,
আগে বেড়ে কেউ কবে, করেছে কি কামব্যাক?

কান পোঁকা হাঁসফাঁস, আর কত শোনা যায়,
জানো যদি উপায়টা, বলে যাও আমা তায়।
এইবার পিছু টান! হও কেন ভাগারাম?
বাড়াবাড়ি কমানোর, দিয়ে যাও সামাধান।

শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০১৪

সংযম

সদা ভাবে, কি যে খাবে, সারাদিন রাঁধে,
লোল ঝরে, ক্ষুধা স্মরে, মন রাঙা স্বাদে।
খাওয়া নাই, ফাঁকি তাই, কাজে কামে ঢিলা,
ভাবি তাই, কোথা যাই, মেজাজটা বিলা!

চেটে খায়, সন্ধ্যায়, আলিশান ভোজ,
ভাজা খায়, মজা পায়, হালিমটা রোজ।
ভুড়ি গোল, খেয়ে ঢোল, তবু রোল চায়,
ভূণা শোল, ঢিলা ঝোল, সাথে ঘোল খায়।

হরদম, সংযম, করে বুড়ো-খোকা,
করে ঢং, রেগে টং, বাজারেতে ধোকা!
বেশি দাম, হয়রাণ, তবু কেনা চাই,
এর নামই, সংযমী, মনে রাখা চাই!

বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০১৪

বৃষ্টি

আঁধার কালো, অনেক ভালো, দিনের বেলায় রাত যেন,
নামবে ধারা, বাঁধন হারা, টাপুর টুপুর গান শোনো।

জানলা খুলে, কাজটা ভুলে, তাকিয়ে দেখি ঐ ঝরা,
থাকনা থেমে, ক্লান্তি ঘেমে, ভিজুক খাঁ খাঁ মন খরা।

তা-থৈ নাচে, সতেজ বাঁচে, মনমরা নয় মনকলি,
খানিক ক্ষণে, উদাস মনে, ভুলুক মনের ক্লেদ-কালি।

কড়াৎ বাজে, মনের মাঝে, জাগ্ শিহরন ভয় লাগা,
উত্তেজনায়, আমোদ বাঁচায়, অচিন ঘোরে ফের জাগা।

সোমবার, ৯ জুন, ২০১৪

দৃশ্যপট: নদী আর মানুষ

লাউ কদু কুমড়া, খোল ভরা নাওরে,
হাটবার ধরতে, কষে তরী বাওরে।
চ্যাং ব্যাঙ ফ্যাল ওরে, পাবদাটা রাখ ঐ,
শুটকিটা কাটে কেরে? সেই নাও সাদা ছই।

এঁকে বেঁকে ঢেউ কাটে, নাও বায় জোরসে,
গাঙ পাড় কাদাময়, বাবু চিৎ পড়ছে।
ঘুরে ঘুরে উড়ে ঐ, সাদা সাদা গাঙচিল,
পিচ্চিটা পাড় থেকে, নৌকায় মারে ঢিল।

ডুব দিয়ে ধরে মাছ, হাঁস পানকৌড়ি,
খায় দাদী ফোকলা, পান ছ্যাঁচা মৌরি।
জর্দার তেষ্টায়, বুড়া খোঁজে কৌটা,
নাইওরে যায় বুঝি, ও পাড়ার বৌটা।

উত্তাল উঠে ঢেউ, পথে নাকি গাঙ্গে,
এলো চুলে হেঁটে যায়, শাড়ি পরা ঢঙ্গে!
সাঁতারের পাল্লায়, ছেলেদের কোলাহল,
আঁড়ে দেখে খোকাহারা, মা'র চোখ টলমল।

==
এটা থেকে অনুপ্রাণিত।

মঙ্গলবার, ৩ জুন, ২০১৪

বানভাসি

গণগণে এক তাপবাহ ঐ, পড়লো যবে ঘরে,
জমাট বাঁধা ঠান্ডা কঠিন, বরফ গলে ঝরে।
কলকলিয়ে ছুটলো জলের, আবেগ মাখা ঢেউ,
এমন ভীষণ বানভাসি কি, দেখছে কবে কেউ?

[কোরাস]
বাম্পার ফলনে, আইসবার্গ গলনে,
বান জলে ডুবা দেখে, মনমরা জ্বলনে।
[/কোরাস]

কল কল ঘোলা জলে, হল সব ময়লা,
টলটলে ঐ পানি, দেখে লাগে কয়লা।
নাইবার এসে দেখি, জলে ভাসা বাগানে,
ফুল-পাখি-গান নাই, নীল নাই গগণে।

[কোরাস]
বাম্পার ফলনে, আইসবার্গ গলনে,
বান জলে ডুবা দেখে, মনমরা জ্বলনে।
[/কোরাস]


==
ব্যাখ্যাঃ
কোনো এক ব্লগসাইটের ফ্রন্টপেজে শুধু কবিতা আর কবিতা ---- দেখতে দেখতে হয়রান গফুর হয়া গেলাম।

সোমবার, ২ জুন, ২০১৪

ইন্টারন্যাশনাল ... ...

জাপানের টয়োটা, স্যামসাং কোরিয়া,
আকুপাংচারে গেল, হংকং মরিয়া।
তাতী বাড়ি বঙ্গে, গার্মেন্ট মসলিন,
সুইস চকোলেট আর, পনিরটা মসৃন।

সন্ত্রাসে ইউএস, সেখানেই বন্দুক,
বার্মায় গেলে পরে, গাঁজা খেয়ে খুব সুখ।
যত বেশি ইতালীয়, গ্যাঞ্জাম ততোধিক,
সাগরের গর্জনে, ডাচ হাসে ফিক ফিক।

ইউকে'র লেখাপড়া, ব্রিটিশরা হারামী,
লুতুপুতু বাবুগণ, করে যায় গোলামী।
পর্তুরা করেছিল, মারামারি সাগরে,
জার্মান মেশিনে, গিয়েছিলো সমরে।

ফরাসীর ভালবাসা, কঙ্গোর হীরাতে,
নেপালের শেরপা, হিমালয় চূড়াতে।
অসভ্য আরবে, মেয়ে মারে পাকিরা,
ফুটবল ব্রাজিলে, চেয়ে দেখে বাকীরা।

===
ইহা যদি পাঠ্যপুস্তকের কোনো ছড়া হইতো তবে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসিতো: সমূদ্র গর্জনে ডাচদের দন্ত বিকশিত হাসির রহস্য সংক্ষেপে বর্ণনা কর ...

মঙ্গলবার, ২৭ মে, ২০১৪

পথের শের

পথে যানজট ভীড়ে, চলছে সবাই ধীরে,
ব্যগ্র সবে নিজকে নিয়ে, ফিরবে আপন নীড়ে।

দাঁড়িয়ে থাকে ঠাঁয়, রোগীর গাড়ি হায়!
ইতর জটে মরলে মরুক, কার কী আসে যায়!

অসভ্যতার ফেউ, ছাড় দেবে না কেউ,
নিজের ফাঁদেই পড়ছে সবে, কাঁদিসনা ভেউ ভেউ।

ও চাবুক খাওয়া ভক্ত, বুঝতে পারা শক্ত?
সময় হল সভ্য হওয়ার, শুদ্ধ কর রক্ত।

==
সোয়া-সের for শোয়া-শের: ৪টি ভিন্ন অনুচ্ছেদ আলাদা আলাদা শের এর মত করে পড়া যেতে পারে।
সোয়া = শতকরা ২৫ ভাগ বেশি
শোয়া = শায়িত অবস্থা
সের = ওজনের পরিমাপ
শের = বাঘ, সিংহ; ফার্সি ও উর্দূ ভাষার দুই লাইনের কবিতা

সোমবার, ১৯ মে, ২০১৪

কথাবার্তা সাবধানে ... ...

"ছানাবড়া চোখ" শুনে পিচ্চিটা তাকালো,
বুঝে নাকি না বুঝে ও মাথাখানা ঝাঁকালো ...
মনে মনে শঙ্কায় ভাবলাম লে ঠেলা,
ভীমরুল জিজ্ঞাসা, থামবেনা এ বেলা।

বড়া কী? ছানা কী? চোখ হলো কানা কি?
কানা মানা জানা নাই? ছানা কি গো গাওয়া ঘি?
সুযোগের সন্ধানে, যেতে চাই সটকে,
গলা ছাড়্ বিটকেল! থাকিসনা লটকে।

আইসক্রিম গলা নাকি? যাবে গলে গরমে?
বিটকেলে ইট কই? খিল্ খিল্ চরমে।
চুপচাপ পড়ে থাকি, ঝিম মেরে মটকা,
রক্ষা কি আছে তায়, খো‌কা রাম ফটকা!