মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০১৪

বোকা বকা

বাজ পড়েছে রাতের বেলা,
বললো যবে খোকা,
গেলেন রেগে মজনু মিয়া,
"রে বদমাশ বোকা"!

জানিস নে তুই শব্দে বাজের,
ঘুম হয় না মোর,
ডাকলি না ক্যান? জেনেও সেটা,
সাহস কত তোর!

গেলাম বেঁচে স্বস্তি ভেবে,
ফু দেয় নিজ বুকে,
এবার তবে একটু ঘুমাই,
দিনের বেলায় সুখে!

সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৪

বিদায়?

কাউকে মারিনি, চিমটি কাটিনি, লিখেছি শুধু ছড়া,
হালকা ভাবের, অম্ল ক্ষারের, মোটেও ছিল না কড়া।
ভুল করে কেউ, যদি করে ভিউ, ছোটে যে খুশির বাণ,
ক্ষণস্থায়ী, প্রেরণাদায়ী, মুছে দেয় অভিমান।

কৃতজ্ঞতায়, বলছি তোমায়, দিয়ে দেই ক্ষ্যামা আজ,
অনেক সয়েছো, আহত হয়েছো, ব্যহত করেছো কাজ।
জোর করে আর, দিয়ে ছড়া হার, আর নয় চোখ ব্যাথা,
যা কিছু লিখি, আড়ালেই রাখি, বন্ধু দিলাম কথা।

ভেবোনা ব্যাটায়, হিট খেতে চায়, চাচ্ছেন মনযোগ,
ভাব নিয়ে খুব, বড়ই বেকুব, ভাড়ামীতে দিবে যোগ।
নিচ্ছি বিদায়? মোটেই তা নয়, সহজে দিবোনা ছুটি,
কাম কাজ নাই, টাইমপাস তাই, সময় থাকতে ফুটি!  tongue    yahoo

শনিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৪

এভাবেই যদি পোড়াও

খবরটা যদি দিতে, কিছুক্ষণ আগে,
লবণটা কিনে নিয়ে আসতাম সাথে।
ছিলে কেটে পুড়িয়ে, লবণের ছিটা,
দেখতাম চেখে চেটে, কতটুকু তিতা।

পুড়ে পুড়ে অঙ্গার, হলে পরে সোনা,
বড়লোক হল কি না, দেখি দিয়ে গোনা।
পুড়ে খাঁটি হলে পর, আঘাতেই শত,
বুঝতাম ভাঙে কিনা, টেকসই কত।

হৃদয়টা ভেঙেচুরে, কয়লার মত,
ময়লার অসুবিধা, আর হবে নাতো।
ইচ্ছের রাজা হয়ে, যেথা খুশি যাব,
যারে খুশি খেলিয়েই, এঁদো খুটে খাব!‌‌

সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৪

প্রতীক্ষায় নতুন দিন

নতুন আলোয় উঠুক জেগে, আরেকটি দিন সমুদ্দুর,
সম্ভাবনায় অসীম নিয়ে, ভণ্ডামিটা থাকুক দুর।
আবেগ চেপে আর বলোনা, মন রাখা লোক প্রিয়ংবদ,
শুভ্র হৃদে দেখলে যা তাই, বলতে হলে হোক বিপদ।
দ্বৈত-প্রমিত রাখ সরিয়ে, আজ থেকে হও সেই মহান,
বলছো যা তা নিজেও করো, কাজের মাঝে হোক প্রমাণ।
অহং ত্যাগে মানুষ বিচার, আজ থেকে হোক সর্বদাই,
উচ্চ নীচের বিভেদ রেখা, লুটিয়ে সমান হই সবাই।

রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৪

মেতে উঠি উৎসবে

ধূ ধূ মাঠ, পড়ে থাক, সব কাইত গরমে,
শুনলাম, কেবা হেথা, আসছে না শরমে!
বৈশাখী ঝড় এসে, দেয় যদি উড়িয়ে,
ভয় পাই, মজা নাই; যাচ্ছি কি বুড়িয়ে?

ছড়াদের আশে পাশে লাগে বুঝি খাট্টা,
লেজ নেড়ে, তেড়ে এসে, মেরে দেবে গাট্টা!
তাই কেউ আসলোনা, ছড়াগুলো শুকালো,
বিনা সেঁচ মরে ভুত, তারা সব লুকালো!

ঘুম সেরে, আড়মোড়া, ভেঙ্গে যাক গুড়িয়ে,
অলসতা ক্লেদ-ক্লেশ, ব্যাধি মূক পুড়িয়ে;
ফুট ফাট, ফেটে পড়, খৈ ফোটা কথাতে,
উৎসব, চল মাতি, জাগি ফুল ফোটাতে!

সোমবার, ৩১ মার্চ, ২০১৪

জগাখিচুড়ি

অসার লেখা ফালতু বাত,
করছি হেথায় দিনকে রাত;
ভর্তা গাজর, শুটকি ঝাল,‌‌
হালুয়া মূলা, কলার ছাল।

মরিচ পোড়া কদবেলে,
কোপ্তা রসুন তেলতেলে!
তালমিছরি বিট লবন,
মাছের তেলে বাটারবন।

ঝোল খিচুড়ি, শুকনা দই,
মটর দানা, চিড়ার খই;
কাউন ম‌োয়া, তেঁতুল চাট্,
লাউয়ের বিচি, কচুর ডাঁট।

মিষ্টি বড়ই, পাকনা বেল,
চিমটি খানেক তিলের তেল;
পাপড় ভাজা, চটপটি,
মুরগী গুড়ের লটপটি।

চূণের পানি দুই ফোঁটা,
এলাচ, চিনি, পান বোঁটা;
এদের সাথে আমায় দিস,
ময়না পাখি, লইট্যা ফিশ।

শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০১৪

লোকটা বড়ই শেয়ানা

লিখা লিখি করে না,
মিছামিছি নড়ে না,
লোকখানা সারাদিন বসে মারে ঝিম্

ক্ষিদে পেলে একবার,
ডাকাডাকি কারবার,
কে আছিস্, দিয়ে যা রে ঘিয়ে-ভাজা ডিম।

ব্যাটা বড় শান্ত,
ঝড়ে মন ক্লান্ত,
মনে মনে হাতি ঘোড়া কত মারে রোজ ... ...

ঝিমানোর ফাঁকে ফাঁকে,
আঁকিবুকি ছবি আঁকে,
ঢেউ তুলে হাঁটে কে রে? নেয় তার খোঁজ।

দেখে লোকে প্রতি রাতে,
গাছ-তলা ঠিকানাতে,
বিড়বিড় করে বকে, হাতে মুঠোফোন ...

তোমরা তো জান না,
ব্যাটা বড় শেয়ানা,
পাগলামো? নাকি চর? সন্দেহে মন।।

==
চর = জলকনা-চটকনা-চড় কিংবা চোর নয়, নদীর ধূ-ধূ বালু চর নয়, এ হল স্পাই অর্থাৎ গুপ্তচর।